গঠণতন্ত্র

১.০ সংগঠনের নাম:
১.১ বাংলায়: শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র বাংলাদেশ
১.২ ইংরেজিতে: Suddha Sanskriti Carcakendra Bangladesh

২.০ প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট:
২.১ প্রতিষ্ঠানটি সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, রুচিশীল সমাজ গঠন ও কাঙ্খিত সমাজিক পরিবর্তন সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সামাজিক, সৃষ্টিশীল ও কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে পরিচালিত একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক উন্নয়ন মানহিতৈষী কর্মকা-ের নিগুড় লক্ষ্যে বাংলা এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য কাজ করবে।

৩.০ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
৩.১ বাংলাদেশের সংষ্কৃতিতে অবদান রেখেছে এমন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্মদিন ও মৃত্যুদিন পালন করা।
৩.২ সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জনমত গঠন করা।
৩.৩ সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টির জন্য মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা।
৩.৪ সাহিত্যের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে স্কুল, কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভার আয়োজন করা।
৩.৫ গৌরবোজ্জ্বল ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও নীতি আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি এবং এরই সাথে নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

৪.০ সদস্যদের শ্রেণিবিভাগ:
৪.১ উপদেষ্টা: বিশেষ যোগ্যতা ও বিশেষ বিষয়ে পারদর্শী এবং সুদক্ষবিশিষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি সংগঠনের উপদেষ্ঠা হিসাবে মনোনিত হবেন।
৪.২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: যেসব সদস্যগণ এই সংস্থা স্থাপনের প্রতিষ্ঠাকালীন স্বাক্ষরদাতা হবেন এবং সংস্থা প্রতিষ্ঠান উদ্যোগ গ্রহণকারী সকলেই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলে গণ্য হবেন।
৪.৩ সাধারণ সদস্য: সাধারণ সদস্যদের যোগ্যতা নি¤েœ বর্ণনা করা হলো:
৪.৩.১ জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হবে।
৪.৩.২ উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হতে হবে।
৪.৩.৩ সুস্থ্য মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে।
৪.৩.৪ সংস্থার আদর্শ ও উদ্দেশ্য এবং গঠণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং অনুগত হতে হবে।
৪.৩.৫ সংস্থার অর্পিত দায়িত্ব সক্রিয়ভাবে পালন করতে হবে।
৪.৩.৬ বাংলা এবং বাংলাদেশের সংস্কতিকর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
৪.৩.৭ শ্রদ্ধ সাংস্কৃতি লালন করা এবং প্রচার করার মানষিকতা থাকতে হবে।

৫.০ সদস্য পদ প্রাপ্তি ও বাতিল:
৫.১ শুদ্ধ সংষ্কৃতি চর্চাকেন্দ্র বাংলাদেশ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে কোষাধ্যক্ষের কাছে ১০০ টাকা জমা দিয়ে উপরোক্ত উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষ পদ গৃহীত হবে।
৫.২ সংগঠনের গঠণতন্ত্র পরিপন্থী কোনো কাজে জড়িত থাকার প্রমাণ সাপেক্ষে সদস্যপদ বাতিল হবে।
৫.৩ কার্যকরী পরিষদের কোনো সদস্য সঙ্গত কারণ ছাড়া পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ বাতিল হবে। এক্ষেত্রে কার্যকরী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
৫.৪ পদ হতে ইস্তফা: কার্যকরী পরিষদের কোনো সদস্য অথবা কোনো সাধারণ সদস্য ইস্তফা দিলে তার কারণ উল্লেখ করে সভাপতি বরাবর দরখান্ত পেশ করতে হবে। সভাপতি কার্যকরী পরিষদের সর্বসম্মতিক্রমে সদস্যের পদত্যাগপত্র গ্রহণ কিংবা বাতিল করতে পারবেন। অবশ্য উপদেষ্টা পরিষদের ক্ষেত্রে এ ঘটনা ঘটলে উপদেষ্টা পরিষদউ তার সমাধান করবে।

৬.০ চাঁদা:
৬.১ সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যতে প্রতিমাসে নির্ধারিত ৩০ টাকা প্রদান করে চাঁদার রশিদ গ্রহণ করতে হবে অথবা সমুদয় বছরের টাকা একবারে প্রদান করলে সেক্ষেত্রে ৩৬০ টাকা দিতে হবে।
৬.২ কোনো বিশেষ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে কার্যকরি পরিষদের সর্বসম্মতিক্রমে সদস্যের কাছ থেকে প্রদত্ত টাকার রশিদের মাধ্যমে বিশেষ চাঁদা বা অনুদান গ্রহণ করা যাবে।

৭.০ সাংগঠনিক কাঠামো: সংগঠনের সাংগঠণিক কাঠামো হবে দুই স্তরের
৭.১ কার্যকরি পরিষদ: সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১৮ সদস্যের কার্যকরি কমিটি থাকবে।
৭.১.১ কার্যকরি পরিষদের সদস্যদের পদবিন্যাস:
সভাপতি ০১ জন
সহ-সভাপতি ০১ জন
সাধারণ সম্পাদক ০১ জন
সহ-সাধারন সম্পাদক ০১ জন
সাংগঠনিক সম্পাদক ০১ জন
কোষাধ্যক্ষ ০১ জন
দপ্তর সম্পাদক ০১ জন
সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ০১ জন
প্রচার সম্পাদক ০১ জন
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ০১ জন
সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ০১ জন
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ০১ জন
তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ০১ জন
সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ০১ জন
ক্রিড়া সম্পাদক ০১ জন
কার্যকরি সদস্য ০৩ জন
৭.২ সাধারণ পরিষদ: সংগঠনের সকল সদস্যদের নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে।
৭.৩ কার্যকরি পরিষদের সদস্যদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব:
৭.৩.১ সভাপতি: তিনি সংগঠনের নিয়শতান্ত্রিক প্রধান হবেন। তিনি সকল সভার সভাপতিত্ব করবেন এবং সভা পরিচালনার সম্পূর্ণ ক্ষমতা তার উপর ন্যাস্ত থাকবে। এছাড়া তিনি সাধারণ পরিষদের সভারও সভাপতিত্ব করবেন। বিশেষ জরুরি অবস্থায় সাধারণ সম্পাদক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সভা আহ্বান না করলে তিনি তা আহ্বান করতে পারবেন। সভার প্রয়োজনীয় খরচ বাবদ সভাপতি সর্বোচ্চ অনুমোতন করতে পারবেন।
৭.৩.২ সহ-সভাপতি: সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি কার্যকরি পরিষদের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করবেন।
৭.৩.৩ সাধারণ সম্পাদক: সভাপতির সাথে আলোচনাক্রমে তিনি সংগঠনের সকল সভা আহ্বান করবেন এবং কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সংগঠনের স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব ও প্রশাসনিক কার্যভার তার উপর ন্যস্ত থাকবে এবং কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও তাকে পালন করতে হবে। সংগঠনের নথিপত্র ও সম্পদ তার তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং এ ব্যাপারে তিনি একটি রেজিস্টার খাতা রাখবেন।
৭.৩.৪ সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে সহ-সাধারণ সম্পাদক (ক্রমানুসারে) তাকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতি বা অবর্তমানে সহ-সাধারণ সম্পাদক (ক্রমানুসারে) তার সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
৭.৩.৫ সাংগঠনিক সম্পাদক: সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং সভাপতি ও সম্পাদককে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
৭.৩.৬ কোষাধ্যক্ষ: তিনি সংগঠনের তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন এবং বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। কার্যকরি পরিষদ ও সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় নিরীক্ষিত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ করবেন।
৭.৩.৭ দপ্তর সম্পাদক: তিনি সংগঠনের দপ্তর সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র, সিলমোহর, বহি, প্যাডসহ অন্যান্য দাপ্তরিক উপকরণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবেন। তিনি নোটিশপত্র সঠিক সময়ের মধ্যে সকল জায়গায় প্রেরণের ব্যবস্থা করবেন। কার্যকরি কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
৭.৩.৮ প্রচার সম্পাদক: তিনি সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনা অনুযায়ি ও কিমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সংগঠনের কার্যক্রম প্রচার ও প্রসারের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি, দাতা, গোষ্ঠী ও প্রচার মাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। এছাড়া বার্ষিক প্রকাশনা / ম্যগাজিন প্রকাশনাসহ এ জাতীয় ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবেন।
৭.৩.৯ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক: সমাজের মহিলাদের মাঝে শুদ্ধ সংস্কৃতি প্রচার এবং তাদের মানসিক উন্নতি সাধন করা মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের প্রধান কর্তব্য। এছাড়াও সংগঠনের প্রয়োজন অনুসারে তিনি বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত হতে পারেন।
৭.৩.১০ সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক: মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক (ক্রমানুসারে) তাকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতি বা অবর্তমানে সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক (ক্রমানুসারে) তার সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
৭.৩.১১ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: শীত বস্ত্র বিতরণ, অসহায় মমূর্ষ রোগীর চিকিৎসা, গরিব ও মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করবেন।
৭.৩.১২ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: ধর্মীয় বিভিন্ন দিবস সঠিকভাবে আয়োজন ও পালনের জন্য ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৭.৩.১৩ ক্রিড়া সম্পাদক: ক্রিড়া সম্পাদক ক্রিড়া অনুষ্ঠান সংগ্রান্ত বিভিন্ন বিষয় আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন।
৭.৩.১৪ কার্যকরি সদস্য: সভাপতির পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে এবং কার্যকরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সংগঠনের সকল কাজে অংশগ্রণ করবেন। কার্যকরি সদস্যগণ সংগঠনের কার্যকরি ও সাধারণ পরিষদের সভায় উপস্থিত সকল বিষয়ে সিন্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামত প্রদান করবেন। সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল ও গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক তাদের উপর অর্পিত যে কোনো দায়িত্ব পালন করবেন।

৮.০ সভার বিবরণ:
৮.১ বার্ষিক সাধারণ সভা: প্রতিবছর একবার এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির অনুমোদনক্রমে ৭২ ঘন্টার জরুরি নোটিশে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করবেন। এ সভার প্রস্তাব উপস্থিত সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোগে পাশ হবে।
৮.২ কার্যকরি পরিষদ সভা: তিন মাস পর পর এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ সম্পাদক, সভাপতির সাথে পরামর্শ করে সভার আলোচন্যসূচি, তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন। সভা অনুষ্ঠানের কমপক্ষে পাঁচ দিন আগে নোটিশ দিয়ে সাধারণ সম্পাদক যে কোন সময় পরিষদের সভা আহ্বান করবেন।
৮.৩ সভার কোরাম: বার্ষিক সাধারণ সভা, কার্যকরি পরিষদ সভা এবং সাধারণ সভায় সংগঠনের ১/৩ অংশ সদস্যর উপস্থিতিতে কোরাম হবে। কোরামের অভাবে নির্ধিষ্ট তারিখে এ সভা না হলে সভা মুলতবি হয়ে যাবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত কোনো তারিখে কোরাম সাপেক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

৯.০ অনাস্থা প্রস্তাব:
৯.১ সংগঠনের যে কোনো সদস্য কমপক্ষে ১/৩ অংশ সদস্যের লিখিত সমর্থনসহ কার্যকরি পরিষদ / পরিষদের যে কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে পারবে। এ ধরনের অনাস্থা প্রস্তাব কারণসহ অবশ্যই সাধারণ সম্পাদক কিংবা সভাপতিরে কাছে লিখিতভাবে পেশ করতে হবে।
৯.২ সাধারণ সম্পাদক ১৫ দিনের মধ্যে সংগঠনের সাধারণ সভা আহ্বান না করলে অনাস্থা প্রস্তাবকারী ও তা সমর্থকগণ সংগঠনের সদস্যের ৩০ দিনের নোটিশ দিয়ে সভার আয়োজন করবে।
৯.৩ অনাস্থা প্রস্তাব বিবেচনার ক্ষেত্রে সংগঠনের মোট সদস্যের ২/৩ অংশ সদস্য কর্তৃক আনিত প্রস্তাব গৃহিত হলে সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সদস্য তৎক্ষনাত পদচ্যুত হবেন।

১০.০ গঠণতন্ত্র:
১০.১ গঠণতন্ত্র সংশোধন: গঠণতন্ত্রের সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের জন্য কোনো সদস্য গঠণতন্ত্রের উপর সংশোধনী প্রস্তাব আনতে চাইলে লিখিতভাবে প্রস্তাব আনতে পারবেন। উক্ত সংশোধনী প্রস্তাব প্রথমে কার্যকরি পরিষদের সভায় অনুমোদন করাতে হবে। কার্যকরি পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে উক্ত সংশোধনী সাধারণ সভায় ২/৩ অংশের সম্মতিক্রমে অনুমোদন করা যাবে।

১১.০ তহবিল ব্যবস্থাপনা:
১১.১ সংগঠনের তহবিল পরিচালনা: সংগঠনের নামে যে কোনো বাণিজ্যিক বাংকে যৌথ হিসাব থাকবে। সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ এবং সাধারণ সম্পাদক এই তিনজন যৌথভাবে হিসাব পরিচালনা করবেন। তবে যে কোন দুই জনের স্বাক্ষরে হিসাব পরিচালনা করা যাবে।

১২.০ সংগঠনের তহবিলের যোগান:
১২.১ সাধারণ সদস্য চাঁদা।
১২.২ সমমনা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে দান।
১২.৩ অনুষ্ঠানের মধ্যেমে আদায়কৃত অর্থ।
১২.৪ অনুষ্ঠানের জন্য কার্যকরি পরিদের নির্দেশক্রমে সদস্যগণের কাছ থেকে চাঁদা আদায়।
১২.৫ সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুদান।
১২.৬ চাঁদা: সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যকে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ৩০ টাকা প্রদান করে চাঁদার রশিদ গ্রহণ করতে হবে অথবা সমুদয় বছরের টাকা একবারে প্রদান করলে সে ক্ষেত্রে ৩৬০ টাকা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।